
সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে ঘাসফুল

২১ বছর বয়সি তৌকির তার নিজের মফস্বল শহরের রাস্তায় অলিতে গলিতে বিস্ময়ের দৃষ্টি নিয়ে ঘুড়ে বেরায়। বাড়ির ভিতরে আবছায়ায় তার আগন্তুকের মত বিচরন। সে বাড়িতে খুজে পায় দাবার বোর্ড-গুটি, মনে করতে পারেনা কখনও দাবা খেলতো কিনা। স্টোর রুমে খুজে পায় হারমোনিকা। হারমোনিকায় ফু দেয় কিন্তু সুর তুলতে পারেনা। বাবা মায়ের ঘড়ের সেলফে সে দেখতে পায় পুরনো পারিবারিক ছবির এ্যালবাম। এ্যালবামের ছবিগুলো দেখে মনে করতে পারে না কখন কোথায় ছবিগুলো তোলা। খুজে পাওয়া স্মৃতি চিহ্নগুলো সম্পর্কে বাবা মায়ের কাছে কিছু জানতে চাইলে তারা এড়িয়ে যায়। একদিন তৌকির জিন্সের প্যান্টের পকেটে খুজে পায় একটি বিবর্ণ চিঠি। চিঠি পরে সে প্রচণ্ড দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পরে। স্মৃতিভ্রষ্ঠ তৌকির অনেক চেষ্টা করেও চিঠির লেখিকা “ঘাসফুল”-এর কথা কিছুতেই মনে করতে পারে না। “ঘাসফুল”-এর অনুসন্ধান করতে গিয়ে তৌকির এমন এক স্মৃতির জগতে যাত্রা করে যার অন্তিমে যেন তার পুনর্জন্ম লাভ হয়। এমনই কাহিনী নিয়ে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র ঘাসফুল।
চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কাজী আসিফ, শায়লা সাবি, তানিয়া বৃষ্টি, নায়লা আজাদ নুপুর, মানস বন্দ্যোপাধ্যায় ও আরো অনেকেই।‘ঘাসফুল’ ছবিতে গান রয়েছে দুটি। মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথা ও লাকী আখন্দের সুরে একটি গান গেয়েছেন সানি জুবায়ের। অন্যদিকে সানি জুবায়েরের সুরে একটি গান গেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গোপ।