Select Page

অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রস্তাব চেয়েছে সরকার

চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রস্তাব চেয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। গত সপ্তাহে সরকারের দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রস্তাবের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। আগ্রহীদের সুবিধার্থে প্রস্তাবটি হুবহু তুলে দেয়া হলো-

বিষয়: ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য প্রস্তাব আহবান।

জাতীয় ঐতিহ্য ও আদর্শ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও চেতনা সমৃদ্ধ, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন, জীবন ও সমাজধর্মী বিষয় বা ঐতিহাসিক ঘটনা অথবা অন্য যে কোন বিষয়ের উপর শিল্পমান সমৃদ্ধ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ২০১২-১৩ অর্থবছরে সরকারি অনুদান প্রদানের জন্য প্রস্তাব আহবান করা হয়েছে।

কাহিনী ও চিত্রনাট্য বাছাইয়ের জন্য প্রযোজক/পরিচালক/চলচ্চিত্র নির্মাতা/চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব/সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পেশাদার প্রতিষ্ঠান/লেখক/চিত্রনাট্যকারদের মূল কাহিনীসহ চিত্রনাট্য, চলচ্চিত্র নির্মাণের সার্বিক পরিকল্পনা এবং শিল্পী ও কলাকুশলীদের তালিকাসহ পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ প্রস্তাব (১০ সেট) চাওয়া হয়েছে।

শর্তাবলী ও সুযোগ সুবিধা

১. কেবলমাত্র বাংলাদেশের নাগরিক অনুদান প্রাপ্তির জন্য বিবেচিত হবেন। অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের সকল শিল্পী/কলাকুশলীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। তবে বিশেষ ভূমিকায় অংশগ্রহণের জন্য যদি কোন বিদেশী শিল্পী/কলাকুশলীর প্রয়োজন হয় তাহলে মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে উক্ত শিল্পী/কলাকুশলী অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

২. নির্মাণাধীন, সমাপ্ত বা মুক্তিপ্রাপ্ত কোন চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য অনুদানের জন্য বিবেচিত হবে না।

৩. অনুদানে নির্মিত/নির্মিতব্য চলচ্চিত্র মৌলিক নয় বলে প্রমাণিত হলে প্রযোজক অনুদান হিসেবে গৃহীত সমুদয় অর্থ ও সেবার মূল্য রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রচলিত সুদসহ ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে- এ মর্মে ১৫০/- (একশ’ পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের স্ট্যাপ একটি অঙ্গীকারপত্র দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সংশ্লিষ্ট প্রযোজকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

৪. প্রতি অর্থবছরে প্রাপ্ত বরাদ্দের আলোকে সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ)টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে অনুদান প্রদানের জন্য বিবেচনা করা হবে, তবে বিশেষ ক্ষেত্রে এ সংখ্যা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। তন্মধ্যে কমপক্ষে ১ (এক) টি হবে শিশুতোষ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে সাহিত্য নির্ভর গল্প ও চিত্রনাট্যকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

৫. তবে কোন বছর প্রয়োজনীয় সংখ্যক ও উপযুক্ত প্রস্তাব না পাওয়া গেলে সে বছরের অনুদান প্রদান বন্ধ অথবা অনুদান প্রদানের সংখ্যা কমানো যাবে।

৬. প্রস্তাবিত গল্প ও চিত্রনাট্য শিশুতোষ না সাধারণ শাখা তা আবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং গল্প লেখক/কাহিনীকারের সম¥তিপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

৭. অনুদান প্রদানের পরও সরকার যে কোন যুক্তিসঙ্গত শর্ত আরোপ করতে পারবে।

৮. আর্থিক অনুদান ছাড়াও প্রতিটি চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বিনামূল্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের এফডিসি’র সার্ভিস/সেবা প্রদান করা হবে, যা কোনক্রমেই নগদায়ন করা যাবে না এবং বিএফডিসি প্রদত্ত সেবা ব্যতীত অন্য কোন সেবা/সহায়তায় রূপান্তরযোগ্য নয়। অনুদানপ্রাপ্ত ছবি নির্মাণে এফডিসি অগ্রাধিকার প্রদান করবে। শিল্পীদের সিডিউল প্রাপ্তির জন্য চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত সমিতিসমূহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

৯. অনুদান প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত এবং অনুমোদিত চলচ্চিত্রের প্রযোজক-কে অনুদান নীতিমালার শর্তাবলীর আওতায় অনুদান প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

১০. নীতিমালা অনুযায়ী অনুদানের জন্য বাছাইকৃত কাহিনীর লেখক ও চিত্রনাট্যকার (হারাহারিভাবে) ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎসাহ পুরস্কার পেতে পারেন।

১১. প্রস্তাব উত্থাপনকালে প্রস্তাবক/প্রযোজক/পরিচালক/চিত্রনাট্যকারের স্পষ্টাক্ষরে পূর্ণ নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল ও টেলিফোন ন¤¦র প্রস্তাবের সাথে উল্লেখ করতে হবে। অন্যথায় প্রস্তাব বিবেচনা করা হবে না।

১২. অনুদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে গল্প, চিত্রনাট্য ও চলচ্চিত্র নির্মাণের সঠিক পরিকল্পনাসহ পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ প্রস্তাবের প্রতিটির ১০ কপি করে জমা দিতে হবে।

১৩. নীতিমালা অনুযায়ী ৯ (নয়) মাসের মধ্যে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করতে হবে। তবে বিশেষ অবস্থার প্রেক্ষিতে স্ক্রিপ্টের প্রয়োজনে সরকার উক্ত সময় বৃদ্ধি করতে পারবে।

১৪. একই প্রযোজক/পরিচালককে দুইবারের বেশি অনুদান প্রদান করা হবে না।

১৫. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রথমবার অনুদান প্রদানের কমপক্ষে তিনবছর পর ২য় বার অনুদান প্রদান করা হবে।

১৬. অনুদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে গল্প, চিত্রনাট্য এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের সার্বিক পরিকল্পনাসহ পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ প্রস্তাব ৩০ সেপ্টে¤¦র ২০১২ তারিখ বিকাল ৪ ঘটিকার মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র শাখায় পৌঁছাতে হবে। উক্ত তারিখ ও সময়ের পরে প্রাপ্ত কোন প্রস্তাব/দরখাস্ত গ্রহণ করা হবে না।

১৭. আলোচ্য সকল বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মূল বিজ্ঞপ্তিটি পিডিএফ-এ পেতে: ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য প্রস্তাব আহবান।


অামাদের সুপারিশ

মন্তব্য করুন

ই-বুক ডাউনলোড করুন

BMDb ebook 2017

স্পটলাইট

Saltamami 2018 20 upcomming films of 2019
Coming Soon
ঈদুল আজহায় কোন সিনেমাটি দেখছেন?
ঈদুল আজহায় কোন সিনেমাটি দেখছেন?
ঈদুল আজহায় কোন সিনেমাটি দেখছেন?

[wordpress_social_login]

Shares