Select Page

জহির রায়হানের না বানানো সিনেমাগুলো

জহির রায়হানের না বানানো সিনেমাগুলো

জহির রায়হান। ঢাকাই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সৃষ্টিশীল পরিচালক। যার প্রতিটা চলচ্চিত্রই সৃষ্টিশীলতার উজ্জ্বল স্মারক। ১৯৬১ সালে যখন প্রথম চলচ্চিত্র বানালেন, তখনো তিনি চলচ্চিত্র জগতে তরুণ তো বটেই, ঢাকার চলচ্চিত্রও কেবলই যাত্রা শুরু করেছে। এরই মধ্যে তিনি এক শিল্পীর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বকে বিষয়বস্তু করে কখনো আসেনি-র মতো নিরীক্ষাধর্মী একটি চলচ্চিত্র বানিয়ে বসলেন।

তার প্রতিটি চলচ্চিত্রই এরকম— কোনো না কোনো সৃষ্টিশীল পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্বাক্ষর বহন করছে। ১৯৬৪ সালে জহির রায়হান যখন ঢাকায় বসে সম্পূর্ণ রঙিন চলচ্চিত্র সঙ্গম নির্মাণ করছেন, তখনো পাকিস্তানের দুই পুরনো ইন্ডাস্ট্রি লাহোর-করাচির কেউ-ই সম্পূর্ণ রঙিন চলচ্চিত্র নির্মাণের সাহস দেখায়নি। রূপবান-এর (১৯৬৫) পর ঢাকায় যখন যাত্রাপালা ও ফোক-ফ্যান্টাসি ভিত্তিক চলচ্চিত্রের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, সে ধারায় তিনি বানালেন বেহুলা (১৯৬৬)। এই বেহুলার গল্প যতটা না সাপের দেবী মনসার গল্প, তারচেয়ে বেশি দেবীর বিরুদ্ধে রক্ত-মাংসের মানুষের সংগ্রামের গল্প, চাঁদ সওদাগর ও বেহুলার গল্প। আর জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) তো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেরই এক পূর্বপাঠ, মুক্তিযুদ্ধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন চলচ্চিত্র আর কখনো নির্মিত হয়নি, হবে কিনা সেও এক গুরুতর প্রশ্ন।

জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাণে কেবল সৃষ্টিশীলই ছিলেন না, ভীষণ কৌশলীও ছিলেন। কোনো চলচ্চিত্রের কাজ শুরুর আগে মাথার মধ্যেই পুরো চলচ্চিত্র তৈরি করে ফেলতেন। তাই চিত্রনাট্যে প্রায়ই তেমন একটা ডিটেইলস থাকত না। আর পুরোটা শেষও করে ফেলতে পারতেন খুবই দ্রুত। অনেক সময় মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই।

সোজা বাংলায়, জহির রায়হানের মাথা ছিল যাকে বলে ‘পরিকল্পনার আস্ত একটা কারখানা।’ একের পর এক পরিকল্পনা খেলে যেত মাথায়। পরের দিকে তিনি নিজে আর সেগুলো লিখে রাখার ফুরসত পেতেন না। কোনো চলচ্চিত্রের ভাবনা এলো— সহকারীদের ডেকে কাহিনি মুখে মুখে শুনিয়ে দিতেন। তারাই সেগুলো লিখত।

তো, যার মাথা এমন পরিকল্পনার উর্বর কারখানা, সেখানে যে অবিরাম চলচ্চিত্রের পরিকল্পনা আসতে থাকবে, তাতে আর আশ্চর্যের কী! বাস্তবেও হয়েছে তেমনটাই। তিনি যতগুলো চলচ্চিত্র বানিয়েছেন, পরিকল্পনা করেও বানাতে পারেননি প্রায় দ্বিগুণ চলচ্চিত্র। জহির রায়হান দশ বছরের সংক্ষিপ্ত পরিচালক-জীবনে বানাতে পেরেছেন মাত্র এগারটি চলচ্চিত্র। এর মধ্যে দুটো ডকুমেন্টারি— মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বানানো। বাকি ৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি আবার যৌথ পরিচালনা (সোনার কাজল)। এর বাইরে অবশ্য বেশ কিছু চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন। সেগুলোর কয়েকটি আবার নির্মিত হয়েছে তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে। আর পরিচালনায় আসার আগে চারটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন সহকারী হিসেবে। সে সব হিসেবে নিলে তবেই তার নির্মিত চলচ্চিত্রের সংখ্যা পরিকল্পিত কিন্তু অনির্মিত চলচ্চিত্রের সংখ্যাকে ছাড়াতে পারে।

এই লেখাটি বিএমডিবি ঈদ সংখ্যা ই-বুক ২০১৭ এর অংশ। পুরো ই-বুক টি ডাউনলোড করুন এখানে

ডাউনলোড করুন

তার চলচ্চিত্র জগতে আগমন ঘটে এ জে কারদারের জাগো হুয়া সাভেরা দিয়ে। ১৯৫৭ সালে চলচ্চিত্রটির সহকারী পরিচালক হিসেবে নাম লেখান সে সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল লেখক-সাংবাদিক জহির রায়হান। চলচ্চিত্রটি দেশে মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালের মে মাসে। এর মধ্যেই তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা শুরু করেন। সুভাষ দত্তের সাথে মিলে মাহুত নামের একটি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও তৈরি করে ফেলেন। সে জন্য তারা বেশ কিছু স্কেচও আঁকেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চলচ্চিত্রটি আর বানানো হয়নি।

১৯৬১ সালের নভেম্বরে মুক্তি পায় জহির রায়হানের প্রথম চলচ্চিত্র কখনো আসেনি। সে বছরেরই জুনে ঘোষণা দেন, কলিম শরাফীর সাথে যৌথভাবে নির্মাণ করবেন সোনার কাজল। এটি মুক্তি পায় পরের বছর জুনে। মাঝে ১৯৬২-র শুরুতে ঘোষণা দেন একটি গান দুটি সুর নামের চলচ্চিত্র নির্মাণের। কিন্তু এটি না বানিয়ে শুরু করেন কাঁচের দেয়াল। এর মধ্যে এক নজর দো আঁখে নামে উর্দু চলচ্চিত্র নির্মাণেরও ঘোষণা দেন। একই বছরে বাবুল চৌধুরী ঘোষণা দেন— জহির রায়হানের কাহিনি নিয়ে হরতনের সাহেব ও ইস্কাবনের বিবি নামে একটি চলচ্চিত্র বানাবেন। এই তিনটি চলচ্চিত্রের কোনোটিই শেষ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি।

১৯৬৪ সালের এপ্রিলে মুক্তি পায় জহির রায়হান পরিচালিত পাকিস্তানের প্রথম সম্পূর্ণ রঙিন চলচ্চিত্র সঙ্গম। এর পরপরই তিনি মিস টিটি নামে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন। কিন্তু বানানো শুরু করেন পাকিস্তানের প্রথম সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র বাহানা। সঙ্গম-এর মতো এটিও বানান উর্দু ভাষায়, নির্মাণে খরচ বেশি হওয়ায় দুই পাকিস্তানের বাজার ধরার আশায়। বাহানার শুটিং শুরু হয় নভেম্বরে, এফডিসিতে। সেই সময়ে তিনি আরো একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন, নাম সাত সমুন্দর তের নদী। পরে এটিও আর নির্মাণ করা হয়নি।

১৯৬৫ সালে জহির রায়হান প্রথমে এতো আলো এতো নীল নামে বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন। সেই সঙ্গে ঘোষণা দেন লেট দেয়ার বি লাইটের। নিরীক্ষামূলক এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রটি মোট পাঁচটি ভাষায় নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তার— বাংলা, উর্দু, ইংরেজি, ফরাসি ও রুশ। তখন নির্মাণ করতে না পারলেও, পরে ১৯৭০ সালে চলচ্চিত্রটির শুটিং প্রায় শেষ করেন। কিন্তু সম্পাদনার কাজ আর করতে পারেননি, তার আগেই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এমনিতেই জহির রায়হানের চিত্রনাট্য আর শুটিংয়ে বেশ ফারাক থাকত। আর এই চলচ্চিত্রটির ক্ষেত্রে তিনি চিত্রনাট্য ছাড়াই কাজ করেছিলেন। তাই ফুটেজ থাকলেও, তার অন্তর্ধানের সাথে সাথে চলচ্চিত্রটিরও এক রকম মৃত্যু ঘটে যায়।

সে বছরেরই মে মাসে জহির রায়হান নিজের আরেক ফাল্গুন উপন্যাস অবলম্বনে একুশে ফেব্রুয়ারি নামে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন। সেটির পরে আর কোনো খবর পাওয়া যায়নি। জুন মাসে প্রিয়তমেষু নামে আরেকটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন। এরই মধ্যে সরকার প্রমোদকর বাড়ালে, তার প্রতিবাদে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ না করার ঘোষণা দেন। একই বছরে তিনি হাজার বছর ধরে উপন্যাসটি থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণেরও উদ্যোগ নেন। এটিও শেষ পর্যন্ত নির্মাণ করতে পারেননি। অবশ্য তার দ্বিতীয় স্ত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা ২০০৫ সালে উপন্যাসটি থেকে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

অারো পড়ুন:   ফিল্মস্কুলের অভিজ্ঞতা

পরের বছর জুন মাসে আবারো একুশে ফেব্রুয়ারি নামে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন। এবার অবশ্য আরেক ফাল্গুন থেকে নয়, চলচ্চিত্রটির জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি গল্প ভাবেন। গল্পটি শুনিয়ে শিল্পী মুর্তজা বশীরকে চিত্রনাট্য লেখার দায়িত্বও দেন। চিত্রনাট্য রচনার কাজ শেষ হলে, নিয়মমাফিক সেটা জমা দেওয়া হয় এফডিসিতে। চলচ্চিত্রটির জন্য শিল্পী ও কলাকুশলীও ঠিক করেন তিনি। কিন্তু এফডিসি থেকে চলচ্চিত্রটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এমনকি চিত্রনাট্যটিও আর ফেরত দেওয়া হয়নি। অবশ্য পরে জহির রায়হান ১৯৭০ সালে সমীপেষু পত্রিকার একুশে ফেব্রুয়ারির বিশেষ সংখ্যায় চলচ্চিত্রটির কাহিনি উপন্যাস আকারে প্রকাশ করেন।

১৯৬৬ সালের নভেম্বরে জানা যায়, জহির রায়হানের তত্ত্বাবধানে নীল দর্পণ (দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক) নির্মিত হবে। ডিসেম্বরে তিনি নিজেই ঘোষণা দেন, কাজী নজরুল ইসলামের জীনের বাদশা অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন। চিত্রনাট্যও হয়ে গেছে। দুটোর কোনোটিই আলোর মুখ দেখেনি। সে সময়ে লেট দেয়ার বি লাইট বানানোরও ঘোষণা দেন। চলচ্চিত্রটি সে যাত্রায়ও বানাননি। বরং কাজ শুরু করেন আনোয়ারা-র।

এরপর থেকে অবশ্য জহির রায়হানের অনির্মিত পরিকল্পিত চলচ্চিত্রের সংখ্যা কমে আসতে থাকে। এর অন্যতম কারণ ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বরে জহির রায়হানের নেতৃত্বে গঠিত সিনে ওয়ার্কশপ গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীতে পরিচালক হিসেবে আরো ছিলেন নূরুল হক বাচ্চু, আমজাদ হোসেন, মোস্তফা মেহমুদ ও রহিম নেওয়াজ। আরো ছিলেন দুজন ক্যামেরাম্যান- অরুণ রায় ও এমএ নাসের। ফলে সব চলচ্চিত্র জহির রায়হানের নিজের বানানোর আর প্রয়োজন থাকে না।

১৯৬৯ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে, শহীদ দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করেন জহির রায়হান। জানা যায়, এই দৃশ্যগুলো তিনি ধারণ করেছেন পরের চলচ্চিত্রের জন্য। আরেক ফাল্গুন থেকে আবারো চলচ্চিত্র নির্মাণের কথা জানান। শেষ পর্যন্ত এই চলচ্চিত্রটিও নির্মাণ করতে পারেননি। সম্ভবত তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার কাছে ওই চলচ্চিত্রটির চেয়ে জীবন থেকে নেয়া বানানোই জরুরি মনে হয়েছিল।

১৯৭০ সালের ১১ এপ্রিল মুক্তি পায় জীবন থেকে নেয়া। ওই বছরে জহির রায়হান আরো অনেকগুলো চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। মে মাসে ঘোষণা করেন প্রেম এসেছিল ও মা নামে দুটো চলচ্চিত্রের। বছরের শেষ দিকে আরো তিনটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন- কবি জসীমউদদীনের সোজন বাদিয়ার ঘাট, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবদাস, আর সুন্দরবনের উপকথা নামে আরেকটি রঙিন চলচ্চিত্র। অবশ্য সে সময়ে তার লেট দেয়ার বি লাইট-এর শুটিং চলছিল।

এর কিছুদিন পরেই শুরু হয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল বাসা ছাড়েন জহির রায়হান। কুমিল্লা হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় চলে যান। সেখানে দেখা হয় বাবুল চৌধুরীর সাথে। তারপর চলে আসেন কলকাতায়। পরিকল্পনা করেন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পাকিস্তানি বর্বরতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবেন। সে জন্য চারটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এর মধ্যে দুটো তিনি নিজে নির্মাণ করেন- স্টপ জেনোসাইড ও এ স্টেট ইজ বর্ন। অন্য দুটি পরিচালনা করেন আলমগীর কবির (লিবারেশন ফাইটার্স) ও বাবুল চৌধুরী (ইনোসেন্ট মিলিয়নস)। কলকাতায় অবস্থানকালেই আরেকটি চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন— ধীরে বহে মেঘনা। চলচ্চিত্রটির কাহিনি কাঠামোও দাঁড় করিয়েছিলেন। কিন্তু নির্মাণ করে যেতে পারেননি।

স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র শিল্প নিয়ে তার স্বপ্ন তো ছিলই, অনেক পরিকল্পনাও ছিল। সেই সব পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। স্বাধীন দেশের রাজধানী ঢাকায় ফিরে আসতে আসতে ক্যামেরায় ধারণ করে রেখেছিলেন দেশের মানুষের বিজয়োল্লাস। ঢাকায় এসেও পাগলের মতো কাজ করছিলেন। এর মধ্যেই হঠাৎ খবর পান, পরাজয়ের প্রাক্কালে পাকবাহিনী তার ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে ধরে নিয়ে গেছে। তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এবার জহির রায়হান পাগলের মতো ভাইকে খুঁজতে শুরু করলেন। ৩০ জানুয়ারি একটা অজ্ঞাতনামা ফোন পেয়ে ছুটে গেলেন মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিদের দোসর বিহারি-রাজাকার অধ্যুষিত মিরপুরে। তখনো সেই অঞ্চল স্বাধীন হয়নি। কাজেই পুলিশ-সেনাবাহিনী মিলে অভিযানে যাওয়া হবে। বারংবার নিষেধ স্বত্বেও একমাত্র সিভিলিয়ান হিসেবে তিনিও গেলেন সেই মিশনে। সেই শেষ যাওয়া। ভাইকে আনতে গিয়ে নিজেই আর ফিরে এলেন না। বিহারি-রাজাকারদের পরিকল্পিত সশস্ত্র হামলার শিকার হয়ে আরো অসংখ্য সেনা ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মারা যান জহির রায়হান।

এভাবে আচমকা থেমে যেতে না হলে, আরো কতই-না সৃষ্টিশীল চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারতেন জহির রায়হান। নিশ্চিতভাবেই স্বাধীন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে বলিষ্ঠ হাতে নেতৃত্ব দিতেন তিনি। কত কিছুই না হতে পারত তার হাত ধরে। হয়তো পরিকল্পিত কিন্তু অনির্মিত চলচ্চিত্রের এই তালিকাও আরো দীর্ঘ হতো। কারণ, তার মাথা যে ছিল পরিকল্পনার এক উর্বর কারখানা।

নাবীল অনুসূর্য: লেখক ও চলচ্চিত্র গবেষক


Leave a reply

ই-বুক ডাউনলোড করুন

সাপ্তাহিক জরিপ

ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত কোন ছবিটি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে?

রাজনীতি
নবাব
বস টু

surveymaker

Shares