Select Page

 দেশি সিনেমায় জয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা

 দেশি সিনেমায় জয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা

# ভারতীয় সিনেমায় বরাবরই ছক্কা হাঁকিয়ে চলেছেন জয়া আহসান
# কিন্তু গত কয়েক বছরে ‘দেবী’ ও ‘খাঁচা’ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো দেশী সিনেমায় তিনি নেই
# ঘুরে-ফিরে পুরোনো প্রজেক্টের নাম এলেও মুক্তির খবর নেই
# জয়া জানালেন, দেশীয় সিনেমা নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা

দেশের সিনেমায় কম দেখা গেলেও কলকাতার সিনেমায় নিয়মিত দেখা যাচ্ছে জয়া আহসানকে। সেখানকার দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়ে নিচ্ছেন সমান তালে। হাতে আছে নামি নির্মাতাদের কয়েকটি সিনেমাও।

অন্যদিকে দেশে কয়েক বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো ‘খাঁচা’ ও ‘দেবী’। দুটি সিনেমায় সরকারি অনুদানে নির্মিত। এর মধ্যে দ্বিতীয়টিতে জয়ারও লগ্নি রয়েছে। এর বাইরে কয়েক বছর ধরে একই দেশীয় প্রজেক্ট নিয়ে তার নাম ঘুরে-ফিরে আসছে। নতুন কোনো সিনেমার খবর নেই।

হাতে থাকা পুরোনো কাজের খবর দিতে গিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এ নায়িকা।

কালের কণ্ঠকে জয়া বলেন, ‍“মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ নিয়ে আমি খুবই বিরক্ত। এখনো তৈরিই হয়নি ছবিটি। ডাবিং করতে গিয়ে ফিরে এসেছি একবার। এত অগোছালো কাজ খুব কমই করেছি ক্যারিয়ারে।”

মূলত নুরুল আলম আতিকের ‘ডুবসাঁতার’ দিয়ে জয়ার বড়পর্দার ক্যারিয়ার পাকাপোক্ত হয়। এ নির্মাতার সিনেমা নিয়ে চলছে জটিলতা। জয়া বলেন, ‍“নুরুল আলম আতিক আমার খুবই পছন্দের পরিচালক। ‘পেয়ারার সুবাস’ দারুণ নির্মাণ করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ছবিটা সহসা আসছে না। এখানে আতিকের কোনো দোষ নেই, প্রযোজকেরই আগ্রহ নেই।”

সব মিলিয়ে বলেন, “ছবি দুটির পেছনে তিন বছর সময় দিলাম, ফল পেলাম না। সব কাজ তো আমরা টাকার জন্য করি না। সামুরাই মারুফের ‘পারলে ঠেকাও’-এর শুটিং হচ্ছে পাঁচ বছর ধরে। আমাদের নির্মাতাদের স্বপ্ন অনেক বড়, কিন্তু বাস্তবায়নটা ঠিকঠাক হচ্ছে না। এই ছবিগুলো করতে গিয়ে যে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে, ভয়ে নতুন ছবি হাতে নিচ্ছি না। জানেন, খুব কষ্ট থেকে কথাগুলো বললাম।”


অামাদের সুপারিশ

মন্তব্য করুন

ই-বুক ডাউনলোড করুন

BMDb ebook 2017

Coming Soon
২০২০ সালে বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থা কেমন হবে?
২০২০ সালে বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থা কেমন হবে?
২০২০ সালে বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থা কেমন হবে?

[wordpress_social_login]

Shares