Select Page

খলিলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

খলিলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

khalilখলিল উল্যাহ খান অভিনয়ের আলো ছড়িয়েছেন চলচ্চিত্র, টিভি ও মঞ্চে। ২০১৪ সালের এ দিনে (৭ ডিসেম্বর) পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরপারে পাড়ি জমান চলচ্চিত্রের সদা হাস্যোজ্জ্বল গুণী এ মানুষটি। বাংলা মুভি ডেটাবেজের পক্ষ থেকে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রইল।

দিনটি উপলক্ষে নানা সংগঠন বেশ কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শৈশব মেলা’র প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন খলিল। এ সংগঠনের পক্ষ থেকে আজ দুপুর ২টায় তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মৌন মিছিল এবং সবশেষে বিকাল সাড়ে ৩টায় মোহাম্মদপুর কবরস্থানে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জিয়ারত ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। বাদ জোহর পারিবারিক উদ্যোগে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে বাদ আছর খলিলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শিল্পী সমিতিতে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

৮ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন খলিল। একবার পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। কবরী প্রযোজিত ও আলমগীর কুমকুম পরিচালিত এ ছবিটির নাম ‘গুণ্ডা’। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন।

খলিল অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র কলিম শরাফী ও জহির রায়হান পরিচালিত ‘সোনার কাজল’। নায়ক হিসেবে খলিল অভিনয় করেছেন ‘কাজল’, ‘প্রীত না জানে রীত’, ‘জংলী ফুল’, ‘বেগানা’সহ আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রে। এসএম পারভেজ পরিচালিত ‘বেগানা’ চলচ্চিত্রে প্রথম খলনায়ক হিসেবে খলিল অভিনয় করেন। চলচ্চিত্র পরিচালনা না করলেও দুটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছিলেন তিনি— ‘সিপাহী’ ও ‘এই ঘর এই সংসার’।

খলিলের জন্ম ১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, সিলেটে। মঞ্চ দিয়েই তার অভিনয় জীবন শুরু হয়। ‘প্রীত না জানে রীত’ ছবির নায়ক হওয়ার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় তার। চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে শবনমের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে সবচেয়ে বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। উল্লেখযোগ্য ছবি হলো- ‘সঙ্গম’, ‘পুনম কি রাত’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘ক্যায়সে কাহু’, ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’, ‘উলঝান’, ‘সমাপ্তি’, ‘তানসেন’, ‘আলোর মিছিল’, ‘নদের চাঁদ’, সোনার কাজল’, ‘অলংকার’, ‘মাটির ঘর’, ‘পাগলা রাজা’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘বেঈমান’, ‘আগুন’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘কন্যা বদল’, ‘যৌতুক’, ‘আয়না’, ‘মাটির পুতুল’, ‘আওয়াজ’, ‘নবাব’, ‘সোনার চেয়ে দামি’, ‘বদলা’, ‘মেঘের পর মেঘ’, ‘আয়না’, ‘মধুমতি’, ‘ওয়াদা’, ‘ভাই ভাই‘, ‘বিনি সুতোর মালা’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সুখে থাকো’, ‘অভিযান’, ‘পুনর্মিলন’, ‘কার বউ’, ‘বউ কথা কও’, ‘দিদার’, ‘দ্বীপকন্যা’, ‘সুখের ঘরে দুঃখের আগুন’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘বাপ বড় না শ্বশুর বড়’ ইত্যাদি। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতিও ছিলেন।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি খলিল টিভি নাটকেও অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত বিশেষ নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আবদুল্লাহ আল মামুনের ধারাবাহিক নাটক ‘সংশপ্তক’। এতে মিয়া চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক আলোড়ন তোলেন। ‘মিয়ার বেটা মিয়া’ হিসেবে তার পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে ছোট পর্দার দর্শকদের মুখে মুখে। অভিনয়ে পুরোদস্তুর ব্যস্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশ আনসারের কর্মকর্তা ছিলেন খলিল।


অামাদের সুপারিশ

মন্তব্য করুন

ই-বুক ডাউনলোড করুন

BMDb ebook 2017

Coming Soon
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?

[wordpress_social_login]

Shares