Select Page

গল্পটি পড়েছিলেন মুরাদ, মিল কাকতালীয়

গল্পটি পড়েছিলেন মুরাদ, মিল কাকতালীয়

brihonnola

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪ ঘোষণার পর থেকে আলোচিত প্রসঙ্গ সেরা সিনেমা ‘বৃহন্নলা’র গল্প ‘চুরি’। সারাদিন ফোন বন্ধ রাখার পর অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুখ খুললেন নির্মাতা মুরাদ পারভেজবাংলা ট্রিবিউনকে মুরাদ বলেন, ‘ওই গল্পটি আমি পড়েছি। এটা ঠিক, সেই গল্পের কিছু এলিমেন্ট এর সঙ্গে আমার চিত্রনাট্যের খানিক মিল আছে, কিন্তু সেটা একবারেই কাকতালীয়।’

তবে কেন তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না? এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি নিভৃতে কাজ করতে পছন্দ করি। এইসব নোংরামির ভেতর থাকতে পছন্দ করি না। তাই সকাল থেকে নিজেকে আড়ালে রেখেছি।’

‘বৃহন্নলা’ বিতর্ক নিয়ে মুরাদ বলেন, ‘দেখুন একটা গল্পের চিন্তার সঙ্গে আরেকটা গল্পের মিল থাকতেই পারে। এটা পৃথিবীতে অস্বাভাবিক কোনও ঘটনা নয়। কিন্তু আমার গল্পের সঙ্গে সিরাজ (সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের ‘গাছটি বলেছিল’) সাহেবের গল্পের মিল নেই। আমার গল্পের ফিলসফি আর ওই গল্পের ফিলোসফি এবং কনসেপ্ট এর জায়গায় কোনও মিল নেই। ওই গল্পটি আমি পড়েছি। এটা ঠিক, সেই গল্পের কিছু এলিমেন্ট এর সঙ্গে আমার চিত্রনাট্যের খানিক মিল আছে, কিন্তু সেটা একবারেই কাকতালীয়।’

মুরাদ জানান, তাতে বিব্রত করার জন্য কিছু কিছু মানুষ এমনটা করছে।

বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় জানানো হয়, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ও শ্রেষ্ঠ সংলাপ বিভাগে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪’ গেছে মুরাদ পারভেজ পরিচালিত ‘বৃহন্নলা’ সিনেমাটির ঘরে। তবে এমন স্বীকৃতি এ প্রথম নয়। ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৪’তে সমালোচকদের বিচারে সেরা সিনেমা হয় ‘বৃহন্নলা’। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ভারতের ‘জয়পুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে’ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (মুরাদ পারভেজ) ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (সোহানা সাবা) বিভাগে পুরস্কার পায় সিনেমাটি। এর পরপরই বিষয়টি সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের পরিবারের গোচরে আসে।


মন্তব্য করুন

Shares