Select Page

নিজে সফল না হলেও প্রেক্ষাগৃহ বাঁচাতে ভারতীয় সিনেমা আনতে ফের তৎপর অনন্য মামুন!

নিজে সফল না হলেও প্রেক্ষাগৃহ বাঁচাতে ভারতীয় সিনেমা আনতে ফের তৎপর অনন্য মামুন!

দীর্ঘদিন পর আবারও বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় সিনেমা আমদানির তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সাফটা চুক্তির আওতায় আগামী আগস্টে ইমরান হাশমি অভিনীত ‘আওয়ারাপান ২’ এবং কন্নড় সুপারস্টার ইয়াশের ‘টক্সিক’ সিনেমা দুটি বাংলাদেশে মুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে অনুমতির আবেদন করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট’, যার নেতৃত্ব স্থানে আছেন পরিচালক অনন্য মামুন।

‘আওয়ারাপান ২’ ও ‘টক্সিক’ আমদানির প্রস্তুতি

ভারতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পাবে ‘আওয়ারাপান ২’। একই দিনে বাংলাদেশেও সিনেমাটি সমসাময়িকভাবে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন আমদানিকারকরা।

গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্টের পক্ষে অনন্য মামুন ‘আওয়ারাপান ২’ আমদানির অনুমতি চেয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন।

খুব শিগগিরই ‘টক্সিক’ সিনেমার আমদানির জন্যও আবেদন করা হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে শাহরুখ খানের ‘কিং’ সিনেমাটিও বাংলাদেশে আনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এই আমদানিকারক।

সাফটা চুক্তির নিয়ম অনুযায়ী ভারতীয় সিনেমা আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশি সিনেমাও ভারতে রপ্তানি করতে হয়। আমদানিকারক অনন্য মামুনের দাবি, ইতিমধ্যে বেশ কিছু বাংলাদেশি সিনেমা ভারতে পাঠানো হয়েছে এবং কোন ছবিগুলো সেখানে মুক্তি পাবে তা যাচাই করে পরে জানানো হবে।

ইতিপূর্বে এই পরিবেশনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’, ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’, ‘অ্যানিমেল’ এবং ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’র মতো ছবি বাংলাদেশে মুক্তি পায়। এর মধ্যে ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’ দারুণ সাড়া ফেললেও বাকি ছবিগুলো বক্স অফিসে প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছিল।

নির্মাতা হিসেবে ব্যর্থ, আমদানিতে তৎপর অনন্য মামুন

চলচ্চিত্র আমদানিতে অনন্য মামুন যতটা তৎপর ও আলোচিত, নিজের চলচ্চিত্র নির্মাণে ঠিক ততটাই ব্যর্থ বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বহু তারকা নিয়ে কাজ করলেও নির্মাতা হিসেবে তার সাফল্যের ঝুলি প্রায় শূন্য।

যৌথ প্রযোজনার নামে চালানো ভারতীশ ‘আমি শুধু চেয়েছি তোমায়’ সিনেমাটি ছাড়া তার ক্যারিয়ারে আর কোনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য নেই। তার পরিচালিত সর্বশেষ সিনেমা ‘দরদ’ নিয়ে ব্যাপক ঢাকঢোল পেটানো হলেও তা দর্শকদের ন্যূনতম মনোযোগ আকর্ষণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

নিজের চলচ্চিত্র পরিচালনায় ক্রমাগত ব্যর্থতার পরও দেশের প্রেক্ষাগৃহ বাঁচানোর উছিলায় ভারতীয় সিনেমা আমদানির ক্ষেত্রে অনন্য মামুনের এই অতি-তৎপরতা সিনেমা অঙ্গনে নতুন করে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এই সিনেমাগুলোর আমদানিতে সবুজ সংকেত দেয় কি না।


Leave a reply