প্রথম ছবিতেই হিট পপি
পপি তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘কুলি’-তে অসাধারণ অভিনয় করেছিল। প্রথম ছবিতে সাধারণত বেশিরভাগ নায়িকাদের অভিনয় দুর্বল বা আনকোরা হয় সেদিক থেকে পপি ছিল ন্যাচারাল।
গ্রামের সম্পদশালী হুমায়ুন ফরীদির মেয়ে পপি যে যুবতী বয়সেই দুরন্তপনা নিয়ে থাকে। ফরীদি মেয়ের বিয়ে নিয়ে তখন ভাবে। সেই সময়ই ওমর সানীর মা ডলি জহুর বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যায় কিন্তু দরিদ্র ঘরের বলে তাকে অপমান করে। মায়ের অপমানের প্রতিশোধ নিতেই সানী প্রতিজ্ঞা করে পপিকে বিয়ে করার জন্য। এখান থেকেই মূল গল্পের শুরু।

কুলি সানীর নকল ধনী সেজে পপিকে দেখতে যাওয়ার সময় পপি সানীর দিকে অপলক চেয়ে থাকে। ঐ দৃশ্যটাতে পপির এক্সপ্রেশন ছিল একদম ন্যাচারাল। বিয়ের পর শহরে অন্য কারো বাড়িকে নিজের হিসেবে পরিচয় করিয়ে পপিকে ওঠায় সানী। তারপর সেখান থেকে তার আসল কুলির পরিচয় ফাঁস হতে থাকে। আর সেটা বুদ্ধিমত্তার সাথে করে পপি।
সানীর আসল পরিচয় ফাঁসের পর পপি তার কাছে জানতে চায় কেন সে পরিচয় লুকিয়ে তাকে বিয়ে করেছে। তখন সানী মায়ের অপমানের প্রতিশোধের কথা বলে আর তার কৃতকর্মের জন্য পপির কাছে ক্ষমা চায়। পপি সহজভাবে বলে, যখন তার সাথেই বিয়ে হয়েছে সে-ই তার স্বামী আর সে তাকে মেনে নিয়েছে। এই ড্রামাটিক সিনেও পপির অভিনয় ছিল দেখার মতো।

ছবির ব্লকবাস্টার হিট গান যেটি সেইসময় ওয়ার্ড অফ মাউথ ছিল ‘আকাশেতে লক্ষ তারা চাঁদ কিন্তু একটা রে’। এ গানে পপির নাচ আর এক্সপ্রেশন একদম অভিজ্ঞ নায়িকাদের মতো ছিল। প্রথম ছবিতে এমন পারফরম্যান্স বিশেষ কিছু। এছাড়া ‘যারে ভালো লাগে’ এবং ‘রঙিন রঙিন দুনিয়াতে’ গান দুটিতেও পপি অসাধারণ ছিল।
সব মিলিয়ে প্রথম ছবির পপি ছিল অনেক ছবিতে অভিনয় করা নায়িকার মতো একজন। অভিনয়, নাচ, লুক, হাইট সব দিক থেকে একদম পারফেক্ট একজন নায়িকার পরিচয় ‘কুলি’ ছবিতে দিয়েছিল। এটা তার অর্জন ছিল।






