Select Page

ছাড় পেলেন না গাজী মাহবুব

ছাড় পেলেন না গাজী মাহবুব

সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় অনেকগুলো বিষয়ে অলিখিত সুরাহা হয়েছে। যেমন মানব পাচারের দায়ে অনন্য মামুনের সদস্যপদ স্থগিত, শাকিব খানের নিষেধাজ্ঞা, কাজী হায়াতের সদস্যপদ ও তার নতুন ছবির নাম তালিকাভূক্তরণ, শামিম আহমেদ রনির নিষেধাজ্ঞা, বাপ্পারাজের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কিন্তু নিষিদ্ধ হয়ে আছেন ‘প্রেমের তাজমহল’-খ্যাত নির্মাতা গাজী মাহবুব। খবর জাগো নিউজ।

পরিচালক সমিতি কর্তৃক এখনও নিষিদ্ধ হয়ে আছেন তিনি। কারণ গত বছর পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন ঢাকাই ছবির নায়করাজ রাজ্জাককে অসম্মান করে কথা বলায় প্রতিবাদ করেছিলেন গাজী মাহবুব। সে নিয়ে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে বলেও খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পরিচালক সমিতির সদস্য পদ স্থগিত করা হয় গাজী মাহবুবের।

এ নিয়ে রাজ্জাকের পরিবারের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরি হয় পরিচালক সমিতির। পরে নায়করাজের মৃত্যুর পর বাপ্পারাজ ও সম্রাট এফডিসিতে আসলে আবেগঘন পরিবেশে সেইসব মনোমালিন্য কেটে যায়। কিন্তু সমিতির সঙ্গে এখনও দূরত্ব কাটেনি নির্মাতা গাজী মাহবুবের।

এ প্রসঙ্গে পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘সভায় গাজী মাহবুবের নিষেধাজ্ঞার পরিমাণ পূর্ণ এক বছরই রাখা হয়েছে। সেই মেয়াদের প্রায় ছয়মাস চলে গেছে। নতুন করে সমিতির কোনো নিয়ম ভঙ্গ না করলে বাকি কয়েক মাস পরই সে চাইলে আবার কাজ করতে পারবেন।’

কিন্তু সমিতির ক্ষমতা ও যোগ্যতা চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস দেখিয়ে নিষিদ্ধ হওয়া রনিকে ক্ষমা করে গাজী মাহবুবের বেলায় কেন কঠিন ভূমিকা সমিতির- এমন প্রশ্নের জবাবে পরিচালক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘রনির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হওয়ার পর তার কর্মকাণ্ড ও আচরণ সন্তোষজনক ছিল। এসব বিবেচনা করেই তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে সমিতি।’

এ বিষয়ে গাজী মাহবুব বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার পর আমি অসন্তোষ আচরণ করেছি বলতে সেটা কী ও কেমন জানতে চাই। আমি তো সবসময় এফডিসিতেই থেকেছি। সমিতির অনেক নেতা-কর্মী আমার বন্ধু, তাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছি। আমার আচরণ অসন্তোষের কী আছে? অন্যরা ক্ষমা পান, কিন্তু নায়করাজকে নিয়ে কটু কথার প্রতিবাদ করায় আমার ক্ষমা মিলে না!’


মন্তব্য করুন