শোক ও শ্রদ্ধায় কারিনা কায়সারের তৃতীয় জানাজা সম্পন্ন শহীদ মিনারে
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কারিনা কায়সারের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার রাত ১০টায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সার্জিস আলম, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।

এর আগে বিকাল ৫টায় ভারত থেকে একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে। পরে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস মাঠে মাঠে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। সেখানে অংশ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
জানাজা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, ‘কারিনা কায়সার আমাদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সহযোদ্ধা। তিনি অসুস্থ অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে সারা দেশ শোকাহত। আমরা সবাই শোক প্রকাশ করছি এবং মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তার মাগফিরাত কামনা করছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘সারা দেশের মানুষসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আমরা যারা আছি সবাই শ্রদ্ধার সঙ্গে কারিনা আপুকে স্মরণ করছি। আজকে রাত ১০টার সময় শহীদ মিনারে আমরা সবাই মিলে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে বিদায় দেব।’

এর পর রাত সাড়ে ৮টায় বনানী দরবার শরিফ মসজিদে কারিনা কায়সারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে তার মরদেহ শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেয়া হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার সকাল ৭টায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আব্দুল্লাপুর এলাকায় তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে কারিনা কায়সারকে।
কিছুদিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একইসঙ্গে হেপাটাইটিস-এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। বেশ কয়েক দিন ধরে সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয় এবং পরে কিছুদিন লাইফ সাপোর্টেও রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারিনার মৃত্যু হয়।






