Select Page

কেন পরিচালনায়?

কেন পরিচালনায়?

সম্প্রতি আবারও চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্মাতা আলমগীর। এবারের চলচ্চিত্রের শিরোনাম ‘একটি সিনেমার গল্প’। কলকাতার সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় ছবিটি নির্মাণ হবে।

দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার নির্মাণে ফেরা প্রসঙ্গে আলমগীর বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমাদের সিনেমা এখনো একটি বৃত্তে বন্দী হয়ে আছে। যেমন ধনী-গরিবের দ্বন্দ্ব, পিতা-মাতার হত্যার প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে ওঠা ইত্যাদি। আসলে এই বৃত্ত ভাঙতেই হবে। না হলে দর্শকদের সিনেমাহলে ফেরানো যাবে না। আমার এই ছবি দিয়ে সেই রকমেরই একটি চেষ্টার শুরু হবে।’

অভিনয়ে অনিয়মিত কেন? এমন প্রশ্নে তার কথায়, “ভালো গল্প চাই। সম্প্রতি ‘ঢাকা অ্যাটাক’ শিরোনামের একটি ছবিতে কাজ করলাম। ভালো গল্প ও চরিত্র পেলে কেন অভিনয় করব না। আমাদের চলচ্চিত্রে কিছু সমস্যা হলো, আমি, রাজ্জাক ভাই, ফারুক আমরা যারা একসময় নায়ক ছিলাম, বয়সের কারণে আমরা তো এখন আর নায়ক নই; কিন্তু গল্পের নায়ক হওয়ার মতো ম্যাচিউরিটি আমাদের সবার আছে। আমাদের নিয়ে এমন নিরীক্ষামূলক ছবি এখন কে নির্মাণ করবেন? না আছে সে রকম পরিচালক, না আছে চিত্রনাট্যকার। অথচ পাশের দেশ ভারতে উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, অমিতাভ বচ্চনকে কেন্দ্র করে প্রচুর ছবি হয়েছে।”

চলচ্চিত্রে প্রাপ্তি কেমন? এ কথায় অনেকটা সিরিয়াস হয়ে ওঠেন এই অভিনেতা-নির্মাতা। ‘মানুষের হাততালি তো আছেই। আসলে সেই অর্থে একজন অভিনেতার কখনো প্রাপ্তি হয় না, প্রকৃত অভিনেতার মন থেকে কখনো তৃপ্তি আসে না। কারণ, অভিনয়ের আকাশ এক জনমে ভরাট করা যায় না। সেই দিক থেকে বলব আমার প্রাপ্তি বলে কিছু নেই। এক ধরনের পাগলামি ছিল। কী পেলাম বা পেলাম না, এসব নিয়ে কখনো ভাবিনি। অর্থটা কোনো দিন মুখ্য ছিল না আমার কাছে। মনের তাগিদে অভিনয় করতাম।’

কণ্ঠে কিছুটা ক্ষোভ ঝেড়ে এই সফল অভিনেতা বলেন, ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে পার্শ্ব অভিনেতা বলে কিছু নেই। আসলে অভিনেতা তো অভিনেতাই। এটি হওয়া উচিত শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে। হলিউডে এভাবেই পুরস্কার দেওয়া হয়। তাই পুরস্কারের নামগুলো সংশোধন করা উচিত।’

অভিযোগের সুরে এই চলচ্চিত্রকার  বললেন, ‘অনেকেই কিছু না শিখে চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসছেন। অভিনেতা-অভিনেত্রী বা অন্যান্য সেক্টরের কলাকুশলী হতে গেলে তো শিখে আসতে হবে। এত কষ্ট তারা কেন করতে যাবে? তারা বুঝে গেছে, সবচেয়ে সোজা কাজ হচ্ছে চলচ্চিত্র পরিচালনা করা।’

তাদের মতে, ‘চলচ্চিত্র পরিচালকদের কাজ হলো শুধু অ্যাকশন-কাট বলা।’ নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে এলে কোনো কিছু পাওয়ার আশা না করে আসাই উত্তম। চলচ্চিত্রে এলে কেবল দিতেই হবে, তা ভেবেই চলচ্চিত্রে আসতে হবে। চলচ্চিত্র থেকে ফিরে পাওয়ার আশা না করাই ভালো।’


অামাদের সুপারিশ

মন্তব্য করুন

ই-বুক ডাউনলোড করুন

BMDb ebook 2017

Coming Soon
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?

[wordpress_social_login]

Shares