Select Page

বিভ্রান্ত হওয়ার কিছুই নেই, হাসপাতাল নির্মাণ হবেই- ববিতা

বিভ্রান্ত হওয়ার কিছুই নেই, হাসপাতাল নির্মাণ হবেই- ববিতা

image_88138এ দেশের কিংবদন্তি চিত্রনায়িকা ববিতা। নিজের অভিনয় গুণে শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি এবং এই অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও কাজ করছেন তিনি। আর সেই খাতিরেই ডিসিআইআইয়ের অর্থে তার মায়ের গ্রামে একটি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। এই হাসপাতাল নিয়ে ইদানীং নানা কথা উঠছে। এই বিষয় নিয়েই দৈনিক ইত্তেফাকের বিনোদন প্রতিদিন-এর মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সাক্ষাতকার নিয়েছেন রবি হাসান। সাক্ষাতকারটি বিএমডিবি-র পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হলো-

প্রথমেই আপনার বর্তমান ব্যস্ততা সম্পর্কে একটু শুনতে চাই।

কয়েকটা চলচ্চিত্র নিয়ে খানিকটা ব্যস্ততা আছে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি ছবি সাইন করা আছে। এগুলোর কাজও হয়তো শুরু হবে খুব শীঘ্রই। এর বাইরে যেহেতু জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করছি, এর ব্যস্ততাটা একটু বেশি আছে। এর সম্মেলনগুলোতে নিয়মিত যোগ দিতে হচ্ছে।

আপনি আমার মায়ের গ্রাম নড়াইলের লোহাগড়ায় একটি হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীদের খানিকটা সংশয় রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আপনার মতামত জানতে চাইছি।

হ্যাঁ, এই বিষয়টি নিয়ে গত বেশ কিছুদিন ধরে আমি অনেকের অনাকাঙ্ক্ষিত সব প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি। একটু ভুল বুঝাবুঝির বিষয় আছে। আর যাচাই বাছাইয়েরও কিছু বিষয় আছে। তারা যাচাই করেননি বলেই হয়তো এমনটা মনে করছেন। অথবা কেউ হয়তো তাদেরকে কিছু ভুল বুঝানোর চেষ্টা করছে। ডিসিআইআই-এর লোকজন এসে জায়গা দেখে যায় এবং তাদের কথাতেই আমি সেই হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিই। এই হাসপাতাল নির্মাণ করতে খরচ হবে প্রায় ৩ থেকে ৪ শত কোটি টাকা। এত টাকা আমি কোথায় পাবো। এই হাসপাতালের পুরো অর্থ লঘ্নি করবে ডিসিআইআই। তবে দু’বছর আগে ঘোষণা দেওয়া হলেও তারা এখনও এই হাসপাতালের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে রিসার্চ করছেন। তাই এখনও এর কোনো প্রকার টাকা আমার হাতে আসেনি। যে কারণে আমি শুরু করতে পারিনি। আর এত বড় প্রজেক্ট তো নিশ্চয়ই দু’তিন বছরে হওয়ার কথাও নয়। এটা তো সবার বুঝা উচিত।

তাহলে এই হাসপাতালের কাজ কবে নাগাদ শুরু হতে পারে বলে মনে করেন।

তারা এই হাসপাতালের যাবতীয় রিসার্চ শেষ করে তবেই শুরু করবেন নির্মাণের কাজ। হয়তো খুব শীঘ্রই এ নিয়ে আমরা আবারও আলোচনায় বসব। আর তারা তো বিশ্বব্যাপী অনেক প্রজেক্টের কাজ করছেন। বাংলাদেশেও তারা অনেকগুলো প্রজেক্টের কাজ করছেন। সেসব প্রজেক্টের সঙ্গেও আমি যুক্ত আছি। একটা হাসপাতাল, ছোট কোনো বিষয় নয়। এ নিয়ে স্থানীয় লোকদের সংশয় থাকার কোনো কারণ নেই। তাদের একটু হিসাব করা উচিত—একজন একটা বাড়ি বানানোর সিদ্ধান্ত নিলেও সেই বাড়ির কাজ ধরতে গেলেও কয়েক বছর পেরিয়ে যায়। আর এটা তো ৩ থেকে ৪ শত কোটি টাকার একটা প্রজেক্ট। আর যখন ডিসিআইআই এই ধরনের প্রজেক্টের উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানে তারা প্রজেক্টে কোনো ধরনের খুঁত রাখবে না, এটাই স্বাভাবিক। পুরো প্রজেক্টটাই তাদের, আমি তো শুধু একটা মাধ্যম মাত্র। আমার মা পেশায় একজন ডাক্তার ছিলেন। তার এই পেশার মাধ্যমে তিনি চেষ্টা করেছেন গরিব-অসহায়দের যতটুকু সম্ভব সহায্য করার। আর তাই আমি মায়ের এলাকাতেই এই হাসপাতালটি স্থাপন করার প্রস্তাব রাখি। ডিসিআইআই এই প্রস্তাবে রাজিও হয়। আমি গ্রামবাসীদের বলব যে, আপনারা ধৈর্য হারা হবেন না। যেহেতু ডিসিআইআই এখানে হাসপাতাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেহেতু হবেই। তবে একটু সময়ের ব্যাপার। কে বা কারা আপনাদেরকে অনিশ্চিত বলে কুপ্ররোচনা দিচ্ছে, এসব কথায় কখনো কান দেবেন না। আর যদি আপনারা চান তাহলে ডিসিআইআইয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে, সেখানে বিস্তারিত তথ্য পাবেন। শুধু তাই নয়, তাদের সঙ্গে আপনি চাইলে ই-মেইলেও যোগাযোগ করতে পারবেন। তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে এসে কারও মুখের কথায় বিভ্রান্ত হওয়ার তো কিছু নেই। যাচাই-বাছাই করার অধিকার সবার রয়েছে।

 


অামাদের সুপারিশ

মন্তব্য করুন

ই-বুক ডাউনলোড করুন

BMDb ebook 2017

Coming Soon
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?

[wordpress_social_login]

Shares