Select Page

ভালোবাসার অণুকাব্য-ফিরে আসে পুরনো প্রেম!!!

ভালোবাসার অণুকাব্য-ফিরে আসে পুরনো প্রেম!!!

ভ্যালেন্টাইন ডে এলে ঘটা করে শর্ট ফিল্ম আর নাটকের পসরা বসে। আমি দেখি, বেশ করে দেখি। ভালো লাগে। নতুন নির্মাতাদের নতুন করে প্রেমের কথা বলা, বেশ ভালো লাগে। শর্ট ফিল্মের দুনিয়ায় অনেকের আনাগোনা হচ্ছে। ভ্যালেন্টাইন ডে তে সেই আনাগোনাটা আরও বেড়ে যায়। সমাজের চোখরাঙ্গানি থাকলেও, এখনো ভালোবাসা পুরো জায়গা করে আছে গানে, কবিতায়, চলচ্চিত্রে। সে নাতিদীর্ঘ হোক আর পূর্ণদৈর্ঘ্য হোক।

এবারে মোটামুটি অনেকগুলো শর্টফিল্ম দেখা হলো। মজার বিষয়, হঠাৎ দেখলাম চোখ চাচ্ছে কোন ট্রাজেডি না, কোন লুতুপুতু প্রেম না। একটু অন্যরকম কিছু দেখতে। যা দেখলে একবার হলেও পুরনো হারিয়ে যাওয়া প্রেম নাড়া দিক।

ভ্যালেন্টাইন ডে টা পুরো উসুল হয়ে গেল শাকিল হাসানের শর্ট ফিল্ম “ভালোবাসার অণুকাব্য” দেখো। ঝকঝকে ছবিটা ট্রেইলার দেখেই প্রেমে পড়েছিলাম। আয়েশ করে তাই দেখতে বসলাম।

কলেজ লাইফে প্রেম করে তরুণ তরুণী। কিন্তু ঐ আর কি? মিট করবে কোথায়? ডেটিং এ যাবে কোথায়? কলেজ? সেখানে ঠাই দাঁড়িয়ে আছে নায়কের প্রিন্সিপাল বাবা। বাইরে? আরে ব্যস! নায়িকার ডাকাবুকো ভাইটা আস্ত রাখবে আর? তো কি করা! কিছুই করার নেই। ছুটির দিন ছাদে চুপিচুপি এসে দেখা করা। অভিমান করা, খুনসুটি করা। কিন্তু ছাদেও কি নিরাপদ? সে না হয় মুভিটাই বলবে।

এই এক শর্টফিল্ম আমাকে নিয়ে গেল কলেজ লাইফের প্রেমে। মায়ের বড়বড় চোখ রাঙ্গানির ঠেলায় জানালা দিয়ে সামনের বাসার ছেলেটার সঙ্গে সেই মাস্তি হতো। চুপিচুপি মায়ের মোবাইল দিয়ে, বান্ধবীর কাছে পড়া বুঝব বলে কম প্রেমালাপ চালাই নি। তারপর মায়ের মার খেয়ে একদিন টইটই করে প্রেম টাটা নিল। কই আমার সেই লম্বা চওড়া স্বপ্নপুরুষ?

ভালোবাসার অণুকাব্য দেখে তাই আমার হিংসে হয়। নায়িকার সাহস দেখে আমার আরও বেশি হিংসে হয়। কি বোকাসকা বালিকা ছিলাম।

কলেজ লাইফের সেই পুরনো প্রেম ফিরে পেতে ইচ্ছে করে! জানালায় দাঁড়িয়ে প্রেম করতে সাধ হয়। কিন্তু জানালার সামনে আজ মস্তবড় এক অফিসের বিল্ডিং। চাইলেও তাই রঙিন ভালোবাসাবাসির সময় আর আসবে না।

ফিল্মের সমালোচক আমি নই। আমি পাতি দর্শক। যা আমার জীবনের সঙ্গে মিলে যায় তা আমার ভালো লাগবে। ফিল্মের বোদ্ধাদের কাজ শট নিয়ে কথা বলা, চরিত্র নিয়ে ত্যানা প্যাঁচানো কিংবা মিউজিক নিয়ে বিস্তর জ্ঞান দেওয়া। আমার শুধু মন খচখচ করছিল, একটা গান থাকলে কি ভালোটাই না হত!

তবুও সব মিলিয়ে আমার সময় পাক্কা উসুল!

ফিল্ম বা উপন্যাসের এক বড় ক্রেডিট আছে। যা আমি পাই নি বা কখনো পাব না, তাই পাইয়ে দেয়।

ভালোবাসার অণুকাব্য আমাকে পাইয়ে দিয়েছে সেই পুরানো প্রেমের আধো আধো রোমাঞ্চ। চাইলেও এই জীবনে তা আমি পাব না।

সেই জন্য থ্যাংকস ভালোবাসার অণুকাব্য টিমকে।

ইউটিউব লিংকঃ

 


অামাদের সুপারিশ

মন্তব্য করুন

ই-বুক ডাউনলোড করুন

BMDb ebook 2017

Coming Soon
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অভিনয়শিল্পী বাছাই কেমন হয়েছে?

[wordpress_social_login]

Shares