Select Page

শাবানার উপস্থিতিতে হাসল-কাঁদল জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চ

শাবানার উপস্থিতিতে হাসল-কাঁদল জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চ

দেড় যুগ আগে বাংলা চলচ্চিত্রকে বিদায় জানিয়েছেন শাবানা। স্বামী সন্তান নিয়ে থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রে। দেশে আসলেও প্রকাশ্য হন না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার প্রকাশ্য হলেন। সোমবার তার আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫’ এর মঞ্চ। নানা জল্পনা-কল্পনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে গ্রহণ করলেন আজীবন সম্মাননা।

যথারীতি কালো বোরখায় নিজেকে মুড়িয়ে হাজির হয়েছিলেন শাবানা। এরপর প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে আজীবন সম্মাননা নিতেও দেখা গেল তাকে। পুরস্কার বিতরণী শেষে শাবানার উপরই পড়ল শিল্পীদের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কিছু বলার। স্বভাব সুলভ হাসি দিয়ে দর্শক সারি থেকে মঞ্চে ওঠে এলেন শাবানা।

ওই সময় বলেন বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে তার স্মৃতিকথা, এই সময়ে চলচ্চিত্রের সংকটের কথা। বলেছেন ডিজিটাল চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর কুব্যবস্থাপনার কথা, বাংলাদেশে প্রেক্ষাগৃহের বাজে অবস্থার কথা, যারা সিনেমা হলগুলোকে জিম্মি করে রেখেছে তাদের কথা। সবকিছুর পরও তিনি চলচ্চিত্র বান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর ভরসা রাখতে বলেছেন সবাইকে।

এতোসব কথার ভিরে হঠাৎ তার মুখভঙ্গিতে দেখা গেল পরিবর্তন। একটু পর কণ্ঠেও কেমন কোমলতা। কোমলতা থেকে কেমন কাতরতা! ভাঙা ভাঙা গলার আওয়াজ। ধীরে কথা বলছেন, আর তাতেই বোঝা গেল কাঁদছেন শাবানা!

মূলত প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গটি আসতেই চোখে জল চলে আসে চিত্রনায়িকা শাবানার। তিনি তখন ভাঙা ভাঙা গলায় বলছিলেন যে, ক’দিন আগে ‘ছুটির ঘণ্টা’ ছবির নির্মাতা শেখ আজিজুর রহমানের চিকিৎসার আবদার জানাতে প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। আর প্রধানমন্ত্রী তাকে দেখে যেভাবে জড়িয়ে নিচ্ছিলেন সেটা ভেবেই আনন্দে চোখে জল চলে আসে।

সেই প্রসঙ্গ আসতেই কান্নাজড়ানো কণ্ঠে শাবানা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এইতো সেদিন তার সাথে আমার প্রথম সাক্ষাতে যিনি আমাকে দুহাত বাড়িয়ে আহ্বান করেছিলেন। গভীর ভালোবাসায় সিক্ত করেছিলেন। যখন তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন তখন আমার মনে হচ্ছিলো ব্যক্তি শাবানাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই সম্মান দিচ্ছেন না। তিনি এই সম্মান দিচ্ছেন সমগ্র চলচ্চিত্রে শিল্পের শিল্পীদের।

এছাড়া বর্তমান চলচ্চিত্রের সংকটের বিষয়টি ইঙ্গিত দিয়ে শাবানা বলেন, দেশের চলচ্চিত্র আজ সংকটের মুখোমুখি। চাইলে যৌথভাবে এই সংকটের সমাধান সম্ভব। সমস্যার মাঝেই লুকিয়ে থাকে সমাধান। যখন আমাদের পাশে প্রধানমন্ত্রী আছেন, তখন কোন সংকটই থাকতে পারে না। আমি মনে করি, সিনেমা শিল্পকাজে ভালোবেসে দায়বদ্ধতার জায়গায় নিতে হবে। নতুন যারা আছেন, পড়ছেন, লগ্নি করছেন, যারা প্রবীণ ছিলেন, তাদের অবজ্ঞা করে নয়। তাদের দেখানো পথেই এগোতে হবে।

সোনালী নিউজ অবলম্বনে


অামাদের সুপারিশ

মন্তব্য করুন

ই-বুক ডাউনলোড করুন

BMDb ebook 2017

স্পটলাইট

Saltamami 2018 20 upcomming films of 2019
Coming Soon
ঈদুল আজহায় কোন সিনেমাটি দেখছেন?
ঈদুল আজহায় কোন সিনেমাটি দেখছেন?
ঈদুল আজহায় কোন সিনেমাটি দেখছেন?

[wordpress_social_login]

Shares