Select Page

উত্তর আমেরিকায় বাংলা সিনেমার নতুন রেকর্ড: শীর্ষ গ্রসার ‘বনলতা এক্সপ্রেস’

ওভারসীস মার্কেটে, বিশেষ করে উত্তর আমেরিকায় তথা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বাংলাদেশি সিনেমার বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস গড়েছে তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই ছবিটি ছাড়িয়ে গেছে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে থাকা ‘হাওয়া’র লাইফটাইম আয়—যা টিকে ছিল প্রায় চার বছর।

পরিবেশক প্রতিষ্ঠান স্বপ্ন স্কয়ারক্রোর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা মিলিয়ে প্রথম ১৪ দিনেই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আয় করেছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ডলার (প্রায় ৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা)। তুলনায়, ‘হাওয়া’ উত্তর আমেরিকায় লাইফটাইমে সময়ে আয় করেছিল ৩ লাখ ৫৮ হাজার ডলার। আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো—‘হাওয়া’ যেখানে ৮৮টি প্রেক্ষাগৃহে ৫ সপ্তাহে এই আয় করেছিল, সেখানে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ মাত্র ৫৪টি প্রেক্ষাগৃহে ২ সপ্তাহেই সেই মাইলফলক পেরিয়ে গেছে।

ছবিটির দ্বিতীয় সপ্তাহের পারফরম্যান্সও ছিল নজরকাড়া। শুধু দ্বিতীয় সপ্তাহেই আয় হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ডলার—যা উত্তর আমেরিকায় কোনো বাংলা সিনেমার জন্য দ্বিতীয় সপ্তাহে সর্বোচ্চ আয়ের নতুন রেকর্ড। বর্তমানে তৃতীয় সপ্তাহে এসে ছবিটি ২২টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে।

এর আগেই মুক্তির প্রথম ১০ দিনে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ৩ লাখ ২২ হাজার ডলার আয় করে ‘৩ লাখ ক্লাব’-এ প্রবেশ করে। একই সময়ে ‘হাওয়া’ আয় করেছিল ৩ লাখ ১৪ হাজার ডলার।

শুধু তাই নয়, মুক্তির প্রথম তিন দিনেই ১ লাখ ৫৪ হাজার ডলার আয় করে ছবিটি উত্তর আমেরিকার ডমেস্টিক বক্স অফিস টপ চার্টের সেরা ২০-এ জায়গা করে নেয়—যা কোনো বাংলাদেশি সিনেমার জন্য প্রথম।

স্বপ্ন স্কয়ারক্রোর সংকলিত ডাটা অনুসারে, মাত্র তিন দিনের আয়েই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ উত্তর আমেরিকায় সর্বকালের চতুর্থ সর্বোচ্চ আয়কারী বাংলাদেশী সিনেমায় পরিণত হয়। পেছনে ফেলে ‘তুফান’ (১ লাখ ৫০ হাজার), ‘প্রিয়তমা’ (১ লাখ ৩২ হাজার) ও ‘দেবী’ (১ লাখ ২৫ হাজার ডলার) সিনেমার লাইফটাইম কালেকশন।

এ তারকাবহুল সিনেমায় অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, শরীফুল রাজ ও সাবিলা নূরসহ আরও অনেকে।

দেশীয় বাজারেও ছবিটি পিছিয়ে নেই। ঈদুল ফিতরে মুক্তির পর বাংলাদেশে এরই মধ্যে ৮ কোটির টাকার বেশি আয় করেছে। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকেও এসেছে প্রায় ২ কোটির টাকার মতো।


Leave a reply