Select Page

ওটিটিতে ২০ মিনিট কম ‘প্রেশার কুকার’, রায়হান রাফী জানালেন কারণ

ওটিটিতে ২০ মিনিট কম ‘প্রেশার কুকার’, রায়হান রাফী জানালেন কারণ

ঈদুল আজহার রিলিজ তালিকায় ভিন্ন আমেজ তৈরি করেছিল রায়হান রাফী পরিচালিত ‘প্রেশার কুকার’। নারীকেন্দ্রিক গল্প ও নির্মাণ মিলিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন এ নির্মাতা। সম্প্রতি ভারতীয় ওটিটি প্লাটফর্ম হইচইয়ে মুক্তি পাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ তুলেছেন দর্শকদের অনেকেই। তারা বলছেন, সিনেমা হলের চেয়ে ওটিটিতে কম দৈর্ঘ্যে সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হয়েছে।

ওটিটিতে মুক্তির সময় অনেক সিনেমায় বাড়তি দৃশ্য বা আকর্ষণ করা হয়, এটা খুবই প্রচলিত ফর্মুলা। এর বাইরে কালার কারেকশন বা আরো কিছু প্রযুক্তিগত বিষয় থাকলেও সাধারণত দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনার কথা শোনা যায় না। এমনকি রাফীর আলোচিত ‘সুড়ঙ্গ’ ওটিটিতে বাড়তি দৃশ্য নিয়েই মুক্তি পায়।

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করলে রায়হান রাফী জানান, ওটিটিতে অফিসিয়াল কাট প্রদর্শিত হচ্ছে— যাকে তিনি ‘ডিরেক্টর কাট’ বলেও উল্লেখ করেন। সঙ্গে জানান, সিনেমা হলেও এ কাট প্রদর্শিত হয়েছে, তবে শুরুতে যারা দেখেছেন তারা বড় দৈর্ঘ্যেই দেখেছেন ‘প্রেশার কুকার’।

মুক্তির আগে ‘প্রেশার কুকার’-এর আলোচিত বিষয়ের মধ্যে এর রানটাইমও ছিল। ২ ঘণ্টা ৫২ মিনিট। কিন্তু ওটিটিতে দেখা যাচ্ছে আড়াই ঘণ্টার একটি সংস্করণ।

এ বিষয়ে রায়হার রাফী বলেন, ‘সিনেমাটির দুটি কাট ছিল। একটা সিঙ্গেল স্ক্রিন কাট, আরেকটা সিনেপ্লেক্স কাট। প্রথম কয়েক দিন বাংলাদেশে ৩ ঘণ্টার কাট চলছিল। পরে সেন্সর করে আড়াই ঘণ্টা কাট চলেছে। বাংলাদেশেও চলেছে, আন্তর্জাতিকভাবে চলেছে। ওই কাটই অফিশিয়াল কাট। ওই কাটই চলছে ওটিটিতে।’

সর্বশেষ সংস্করণকে ‘ডিরেক্টর কাট’ বলে উল্লেখ করে নির্মাতা বলেন, ‘তিন ঘণ্টার কাট ইচ্ছা করে বড় রাখছিলাম। গল্পের হাইপারলিংক (আন্তঃসংযুক্ত) বাংলাদেশের সব দর্শক যাতে বুঝতে পারে। যেন খুব ইজি হয়। সহজ হয়।’

‘প্রেশার কুকার’-এ উঠে এসেছে ঢাকার চার নারীর জীবন, তাদের সংগ্রাম, সম্পর্ক, সংকট এবং প্রতিদিনের নানা চাপের গল্প। ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা থেকে আসা এই চার নারীর জীবনকে একটি আন্তঃসংযুক্ত গল্পের মাধ্যমে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে।

সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, শবনম বুবলি, মারিয়া হোসাইন শান্ত ও স্নিগ্ধা চৌধুরী। পাশাপাশি অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, মিশা সওদাগর, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, রিজভী রিজু, ফারিহা শামস সেঁউতি, ফাইযুল ইয়ামিন ও প্রান্তর দস্তিদার।


Leave a reply