বিএমডিবি ব্লগ
ষাটের দশকের ঈদের সিনেমা
ষাটের দশকের শুরুতে ছিল উর্দু ছবির দৌরাত্ম্য। ১৯৬৫ সালে ‘রুপবান’ মুক্তির পর বাংলা ছবির জোয়ার ওঠে। তবু পুরো দশকজুড়ে উর্দু ছবির সঙ্গে বাংলা ছবিকে লড়ে যেতে হয়। ঢাকায় ছবি নির্মাণ শুরু হওয়ার পর ঈদে প্রথম যে ছবিটি মুক্তি পায়, তা একটি উর্দু ছবি। মুস্তাফিজের বিখ্যাত সেই ছবি...
দম : শ্বাস ও আশ
প্রবাদে আছে 'যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ'.. 'দম' এই শ্বাস ধরে রেখে আশা না হারানোর ছবি। যত প্রতিকূলতা থাক না কেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা ধরে রেখে প্রতিকূল থেকে অনুকূল পরিবেশে আসার দৈহিক ও মানসিক শক্তির ছবি। ট্রু ইভেন্টের ছবি 'দম', সেদিক থেকে বাস্তবসম্মত। সত্য ঘটনার প্রমাণ...
ক্যাকটাস: ওয়ান টাইম ওয়াচ হিসেবে চলে আবার চলেও না
ক্যাকটাস ভাল লাগে নাই।ভাল লাগে নাই বলে আমার নিজেরও মন খারাপ। ট্রেলারটা ভাল লাগছিলো। শিহাব শাহীন সেই 'সিন্ডিকেট' থেকে একটা ভাল ফ্লো তে এই ইউনিভার্সটা বিল্ড করে চলছেন। 'মাইশেলফ এলেন স্বপন' ছিল দারুন একটা স্পিন অফ, যদিও সিজন টু খুব একটা জমে নাই। ট্রেলারে 'এলেন স্বপন'র...
সত্তর দশকের ঈদের সিনেমা
স্বাধীনতার পরপরই ঈদ হয়ে ওঠে সিনেমার উৎসব। একে তো উর্দু ছবির প্রদর্শনী বন্ধ হয়ে যায়, সেই সঙ্গে উপমহাদেশের ছবি আমদানিও নিষিদ্ধ থাকে। ফলে বাংলা ছবির প্লাবন সৃষ্টি হয়। প্রচুর ছবি তৈরি হতে থাকে। সত্তর দশকের প্রথম ভাগে কিছুটা কম, কিন্তু দ্বিতীয় ভাগ থেকে ছবি উৎপাদনের হিড়িক...
প্রিন্স : কী হয়নি, আর কী হতে পারত
ঈদ উৎসবের ছবির মধ্যে নির্মাণের দিক থেকে 'প্রিন্স'-এর সমালোচনা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। টিজার রিলিজের পর থেকে ছবির কারিগরি দিকের দুর্বলতা চোখে পড়েছিল দর্শকের। এরপর ছবির গুণগত মান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশিত হতে থাকে দর্শক প্রতিক্রিয়ায়। ছবিটি মূলত দারুণ অ্যাকশন ছবির সম্ভাবনা থাকা...

