Select Page

সাড়া জাগানো অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই

সাড়া জাগানো অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই

নাসিমা খান আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এই অভিনেত্রী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। এরপর ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এ সিনেমার মাধ্যমে দর্শক মহলে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এই অভিনেত্রী।

ষাটের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন নাসিমা খান। পূর্ব পাকিস্তান তথা পরবর্তীতে বাংলাদেশ এবং পশ্চিম পাকিস্তান তথা পরবর্তীতে পাকিস্তানে তিনি খুবই পরিচিত মুখ।

নাসিমা খানের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সূর্যস্নান’, ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’। এসব সিনেমায় বিভিন্ন সময়ে আনোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম, রহমান, মুস্তফা, আজিম ও হারুনের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। এছাড়া পাকিস্তানের জনপ্রিয় নায়কদের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি।

টেলিভিশন নাটক ও রেডিওতেও কাজ করেছিলেন তিনি।

১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট পুরান ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন নাসিমা খান। তার পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাড়িখাল গ্রামের উকিলবাড়ি। তার বাবা মোহাম্মদ মাসুদ খান। দাদা খান বাহাদুর আবদুল জলিল ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে লালবাগে বাড়ি করে সেখানেই বসবাস শুরু করে তাদের পরিবার।


Leave a reply