Select Page

রূপক ও জাদুবাস্তবতার মিশেলে বাংলাদেশি সিনেমায় বিরল অভিজ্ঞতা ‘রইদ’

রূপক ও জাদুবাস্তবতার মিশেলে বাংলাদেশি সিনেমায় বিরল অভিজ্ঞতা ‘রইদ’

‘রইদ’ যা দেখায় তা নিছকই গল্প বলার ফর্মে লেখা নয়। শুধু শিল্পের একটা ধরন বিবেচনার চেয়ে বেশি কিছু। সিনেমাটিতে সবচেয়ে শক্তিশালী, চোখ ধাঁধানো, উপভোগ্য দিক হলো এর ভিজ্যুয়াল। বাংলাদেশে এত শক্তিশালী ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং সম্ভবত এর আগে দেখা যায়নি

বয়ানে ভিন্নতা থাকলেও সেমেটিক ধর্মগুলোয় মানুষ সৃষ্টির পরের ধাপে আলোচনার মূল বিষয় আদম ও হাওয়া বা অ্যাডাম ও ইভের স্বর্গচ্যুতি। যেখানে সংগঠিত হয় মানুষের প্রথম অবাধ্যতা, যা গন্ধম ফল খাওয়া হিসেবে আমরা শুনে আসছি। কিন্তু গন্ধম কী— এর সুনির্দিষ্ট কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না। বাইবেল ও কুরআনে নিষিদ্ধ গাছের উল্লেখ আছে। ইংরেজি সাহিত্যে ফরবিডেন ফ্রুটস হিসেবে আঙুর, আপেল, ডুমুর বা ডালিমের উল্লেখ আছে। সেই তুলনায় গন্ধম ফল ওপেন এন্ডেড বা অমীমাংসিত ব্যাপার। এমনকি, কোনো কোনো ব্যাখ্যা অনুসারে, গন্ধম কোনো ফলই নয়— অ্যাডাম ও ইভের প্রথম ঘনিষ্টতা। সুতরাং, গন্ধম ফলকে আমরা অবজেক্টিফাই না করেও দেখতে পারি।

মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ‘রইদ’ সিনেমায় গ্রাম্য তরুণ সাদু যখন গন্ধম ফল খাওয়ার কথা জিজ্ঞেস করে, তখন সিনেমার গন্ধম হয়ে ওঠে এক ওপেন এন্ডিং সমাপ্তি। যেখানে সাদু স্বীকার করে সে গন্ধম ফল খেয়েছে। কিন্তু, গন্ধম কী? কেন তাকে এ ফল খেতে হয়েছে? এটা বস্তু নাকি আর কিছু? এ সবকিছু ভাবতে ভাবতে ‘রইদ’ হয়ে উঠে এক জীবন্ত শিল্পের প্রতিচ্ছবি। সেখানে সুমন ভিজ্যুয়ালের চেয়েও দর্শকদের ভাবনায় বড় ফ্রেম রেখে দেন। উপসংহার টানার চেয়ে জাদুবাস্তবতা হয়ে উঠে বড় বাস্তবতা।

‘রইদ’-এর গল্প লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন ও সেলিনা বানু মনি। সহজ ও সাবলীল, মেদবিহীন জীবনের গল্প এটি। গল্পে রাখাল সাদু তার উদ্দেশ্যবিহীন জীবন কাটাচ্ছিল। এক দুর্গাপূজার সময়ে সে বিয়ে করে। সাদুর দাম্পত্য জীবন দিয়েই শুরু সিনেমার। ‘সাদুর বউ’-এর কোনো নাম নেই, বা থাকলেও জানা নেই। সাদুর জীবনে দাম্পত্য আরাম-আয়েশ আসার জায়গায় বিড়ম্বনা হয়ে আসে পাগল বউ। সাদু পাগলামি নিতে না পেরে বউকে মাঝ রাস্তায় রেখে চলে আসে। পাগলী তবুও ফিরে আসে। তালপিঠা বানিয়ে খাওয়ায় সাদুকে। যেন তাদের জীবন সাবলীল ও স্বাভাবিক। এমন সময় সাদুর বিরুদ্ধে মব হয় গ্রামে। সাদুর বউ গ্রামবাসীর সঙ্গে মারামারি করে। তাকে শেকল বেঁধে রাখার সিদ্ধান্ত দেয় জমিদার মিয়া ভাই। সেই শেকল বন্দি অবস্থাতেই আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় সাদুর বাড়িঘর। সাদু পাগল বউকে তার গ্রামে দিয়ে আসে।

কিছুদিন পর এক বৃষ্টির রাতে সাদু দেখতে পায় পাগলী আবার ফিরে এসেছে। যেন ঐশ্বরিক আশীর্বাদ বারবার ফিরে পেতে চলেছে হতভাগা সাদু। কিন্তু এবার পাগলীর সঙ্গে আসে আরো একজন। পেটের বাচ্চা। সে বাচ্চার বাপ কে তা কেউই জানে না। নিজের বাচ্চা যে নয় তা সাদু জানে। সাদুর বউ হয়তো জানে, অথবা জানে না। এই জানতে না পারার ডিলেমা এবং এই বাচ্চাকে নষ্ট করার অভিপ্রায় থেকে সাদু তার বউয়ের কাছে মন্দ চরিত্র হয়ে উঠে। যেন-ই বা মহিষাসুর। দুর্গাকে নিয়ে এসেছিলো বিয়ে করে, নিজেই আবির্ভূত হলো অসুর হয়ে। সাদুর বাকি জীবন কাটতে থাকে গন্ধম খাওয়া আদমের ন্যায়, যার অনুতাপ এবং হারানোর বেদনা ছাড়া আর কিছুই থাকে না।

এক কথায় বলতে গেলে, ‘রইদ’-এর চিত্রনাট্য অসাধারণ। এত দারুণভাবে লেখা একটি গল্প, যেখানে চিত্রনাট্যকে একই সঙ্গে হয়ে উঠতে হয়েছে ভিজ্যুয়ালের সঙ্গে জাস্টাপোজিং। আর চিত্রনাট্যের সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, লেখায় কোনো বাড়াবাড়ি নাই। লোকেশনের সামগ্রিক আবহ— পানির যে কলকল শব্দ, গ্রামের যে সহজ কিন্তু অনিন্দ্য সত্য এক ভিজ্যুয়াল, চিত্রনাট্যও যেন সেই সহজ-সুন্দরকে আরো গাঢ় করে তুলেছে। সুমন, জাহিন ফারুক আমিন ও পুরো টিম এমন একটি চিত্রনাট্য লিখেছেন, যেখানে চরিত্রগুলো কথা বলে। দার্শনিক উক্তি নয়। আমাদের চিরায়ত গল্পগাথায় কৃষকের কাছ থেকেও প্রগাড় জীবনবোধ বের করে আনার ধারা আছে, সুমন সেদিকে যাওয়ার প্রয়োজনবোধ করেননি। তিনি হেঁটেছেন এক লিনিয়ার, মেটোপথ ধরে— এই সিনেমায় যেন উপত্যকার পাশের মেটোপথ দেখা যায়।

‘রইদ’-এ বড় কোনো নাটকীয়তা নেই, জীবনকে বইয়ে নেয়া আছে। জীবনের সমস্যা আছে, তাও নিজের মতো। সিনেমায় দেখানো গ্রামের বাইরের কিছু ভাবার ফুরসত নেই। সংলাপগুলো তাই একান্তই রোজকার জীবনঘনিষ্ট। আমরা সেখানে বউ ফিরে এলে সাদুকে ‘তোর কিছু মনে থাকে না, সব ভুলে যাস, তাহলে আমার দ্বারে ফিরে আসিস ক্যান’-এর মতো প্রশ্ন করতে দেখি। যেখানে কিছু লুকোবার নেই, আনুষ্ঠানিকতা নেই। পান্নাকে জিজ্ঞেস করতে দেখি ‘বাচ্চাটা কার’, একই সময়ে দেখি এ প্রশ্নে সাদুর অস্বস্তি নেই। কোথাও-ই কিছু আরোপ করার নেই। অবশ্য সিনেমায় সাদু ও তার বউকে সুনামগঞ্জের লোকেশনে দেখি; কিন্তু কথ্য ভাষায় তা পাই না। পাই খুলনা বা দক্ষিণাঞ্চলের ভাষা। এমনটা দর্শকমনে হজম করা কষ্টের।

‘রইদ’ যা দেখায় তা নিছকই গল্প বলার ফর্মে লেখা নয়। শুধু শিল্পের একটা ধরন বিবেচনার চেয়ে বেশি কিছু। সিনেমাটিতে সবচেয়ে শক্তিশালী, চোখ ধাঁধানো, উপভোগ্য দিক হলো এর ভিজ্যুয়াল। বাংলাদেশে এত শক্তিশালী ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং সম্ভবত এর আগে দেখা যায়নি। একদিকে চরিত্রগুলো নিখুঁত লেখনিতে উপস্থাপিত, অন্যদিকে স্থানীয় অনুষঙ্গের সঙ্গে জাদুবাস্তবতার মিশেল, পৌরাণিক গল্প কিংবা আব্রাহামিক-ইন্ডিক-প্যাগান-মনিসটিক ধর্মের নানা রূপকের উপস্থিতি, যা ‘রইদ’-এ এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

সুমন আমাদের গন্ধম ফল খাইয়ে সময়ের লুপে ছেড়ে দিয়েছেন তো বটেই, তার সঙ্গে সঙ্গে আবার মুসার ব্যাঙ, নূহের নৌকাকে বারবার প্রতীকীভাবে দাঁড় করিয়েও দিয়েছেন। গরু এনেছেন যৌনতার প্রতীক হিসেবে, দুর্গাকে এসেছে সমান্তরাল একটা ধারায়। তা সত্ত্বে সবকিছু ছাপিয়ে উঠে ‘সাদুর বউ’ হিসেবে এক পাগলীর উপাখ্যান, যাত্রকে নিয়ে কয়েক হাজার লাইন লিখে ফেলা সম্ভব। পরিচালক তাকে দিয়েছে বহুমাত্রিক চরিত্র। মেয়েটা পাগল, কিন্তু তার পাগলামিকে আপনি উদযাপন না করে পারবেন না। তার পাগলামির ভেতর থেকে উঠে আসে মাতৃত্বের মতো এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। পিতৃপরিচয় নিয়ে দ্বিধান্বিত সাদুকে বলে— ‌‘বাচ্চাটা আমার, আল্লাহ দিইসে’। ধর্মীয় ইতিহাসে নারীর পরিচয়ে বাচ্চার পরিচয় হয়ে উঠার সবচেয়ে বড় ঘটনা যীশু খ্রিস্ট ও মেরিরয়। সুমন দ্বিধায় রেখে আমাদের সেখানে ফেরান। আমরা বুঝতে পারি না সাদুর বউয়ের সন্তানধারণ অলৌকিক ঘটনা নাকি নিছকই বাস্তবতা। সাদু যখন বউকে রেখে আসছিল, বউ শেষবার তার দিকে তাকিয়ে বলেছিল— ‘আমি এবার আর ফিরব না’। এই না ফেরাটা যেন ঈশ্বর প্রদত্ত কোনো দেবদূতের চিরপ্রস্থানের মতো। যেভাবে সাদুর জীবনে দেবদূতের আশীর্বাদ হয়ে উঠে তালপিঠা। সাদুর বউ বলেছিল কেউ একজন আসে, কে আসে আমরা বুঝে উঠতে পারি না। সাদুর বউয়ের পাগলামি আর পাগলামি থাকে না, এর ভেতর ভর করে কোনো এক দৈবশক্তি; যা আগুনেও টিকে থাকে, সাদুকে বাঁচায়। এই পাগলী আবার তার ঘরে দুজন আগন্তুককে অনিরাপদ ভেবে এড়িয়ে যায়, মেয়েদের এমন শক্তিশালী সার্ভাইভাল ইন্সটিংক্ট কজনই বা এমনভাবে সাজাতে পারে?

পাগলীর চরিত্রে নাজিফা তুষি ক্যারিয়ারের সেরা অভিনয়টি করেছেন। তিনি ছাড়া কারো পক্ষেই চরিত্রটি ধারণ করা সম্ভব ছিল না। সাদু চরিত্রে মোস্তাফিজ নুর ইমরান নিছক অনবদ্য নন, বরঞ্চ সবচেয়ে মনোযোগী, স্ক্রিনজুড়ে মিলেমিশে একাকার একটা চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। আমরা যতদূর জানি, সাদু চরিত্রে আরো দুজন অভিনেতাকে নেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তাদের বাদ দেন নির্মাতা, পারফেকশন নিশ্চিত করার জন্য। ইমরান একদমই পারফেক্ট। তাকে পারফেকশনিস্টও বলা যায়। পান্না চরিত্রে আসাবুল ইয়ামিন রিয়াদও চমৎকার অভিনয় করেছেন। যদিও চরিত্রটিকে যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা বা সমাপ্তি দেয়া হয়নি। মিয়া ভাই হিসেবে গাজী রাকায়েতও সাবলীল।

সমন্বিত শিল্পযাত্রার ফসল ‘রইদ’। জোয়াহের মুসাব্বিরের সিনেমাটোগ্রাফি ‘রইদ’-এর সবচেয়ে বড় সম্বল, সিনেমাটিকে নিখুঁত আর্টহাউজ নির্মাণের দিকে নিয়ে গেছে। সবাই বলে— ‘সিনেমা ইজ লার্জার দেন লাইফ’। আমি বলব,’‌রইদ ইজ লার্জার দেন আ সিনেমা’। এত সরল ও দ্ব্যর্থক, মেদবিহীন গল্পকে ১২৭ মিনিট টেনে নিয়ে গেছে স্রেফ ফ্রেমের কারিশমা। এ সিনেমার ভিজ্যুয়ালে মেজবাউর রহমান যেন স্ট্যানলি কুবেরিক, গদার কিংবা কিম-কি-দুকের মতো নির্মাতাদের আলাদা আলাদা ট্রিবিউট দিয়েছেন। লং শট, মাস্টার শটে নান্দনিকতার সমানতালে স্থান দিয়েছেন হ্যান্ডহেল্ড শট ও মুভিং শটও। মনে হবে, ‘রইদ’ বিশেষ কারো চোখ দিয়ে দেখছেন আপনি। এমন কেউ যে সিনেমার চরিত্রগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

সজিব রঞ্জন বিশ্বাসের সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডায়ালগের ভাইব তৈরি হয়; তাতে মনে হয় দৃশ্যগুলো কেউ একজন শুনছেন, আপনি তার হয়ে শুনছেন। কোথাও কোথাও সেই শব্দগ্রহণ আবছাও হয়ে উঠে, যেভাবে আপনি কারো ব্যক্তিগত আলাপন শুনেও শুনে উঠতে পারেন না। ধান মাড়াইয়ের শব্দের তাল, গরুর লড়ে যাওয়ার শব্দ; সবই হয়ে উঠে আকর্ষণীয়। সম্পাদক সজল আলোক স্রেফ ফ্রেম টু ফ্রেম প্রপার কাটিং দিয়ে এক-একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের দৃশ্যান্তর তৈরি করেছেন এবং লোকেশান সাউন্ড দিয়ে সেই দৃশ্যান্তরকে এত উপভোগ্য করে তোলা গেছে তা বিশেষ প্রশংসার দাবি রাখে। সিনেমায় তেমন একটা ব্যাকগ্রাউন্ড লাইট নেই, প্রচন্ড ডার্কিশ গ্রিটি টোনে প্রতিটা ফ্রেমকে কালার করা হয়েছে। তা দর্শককে অস্বস্তি দিবে। কিন্তু, এ অস্বস্তিও উপভোগ্য।

সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমন চৌধুরী। গানগুলো আমাদের আলাদা একটা সময়ের ভেতর বন্দি করে ফেলে। ধুতরা ফুল ও আনারস মিশিয়ে সাদুর বউকে খাওয়ানোর নির্মম দৃশ্য এবং গ্রামীণ মেলায় স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে সাদুর ক্রুর হাসি, এর পর কানাই দাস বাউলের কণ্ঠে ‌‘মন ছাড়া কি মনের মানুষ রয়, রয় গো’ গানটির সংযোজনের মুহূর্ত বাংলা সিনেমায় ‌‘ওয়ান অব দি কাল্ট ক্লাসিক মোমেন্ট’। সুমন শিল্পের প্রতিটা ফর্মকে এত চমৎকারভাবে সন্নিবেশ করেছেন ‘রইদ’-এ।

এমন স্পিরিচুয়াল জার্নির ভেতরেও আমাদের মনে খুঁতখুঁত থাকে। ‘রইদ’-এ গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হলো সাদুর বিরুদ্ধে মব তৈরি। এ ঘটনার আসল কারণ পরিচালক জানান নাই, দর্শককেও সূত্রহীন থাকতে হয়। সাদুর বউয়ের লাঠি হাতে মারার ঘটনাকেও ভিজ্যুয়ালি ঠিকভাবে ট্রিট করা হয় নাই। কিন্তু, এসব নিছক ছোট বিষয়ই। বরং প্রকৃতির সমস্ত উপাদান মাটি-জল-বায়ু-মেঘ, বাংলাদেশের জলবায়ুর স্বরূপ এবং আরো গুরুতরভাবে কৃষিকাজকে সূক্ষ্ম চরিত্র করে তুলতে পারার সফলতাকে ম্লান করতে পারে না এ বিষয়গুলো। অবশ্য সবচেয়ে অস্বস্তির ব্যাপার গন্ধম ফল। আমরা হিস্ট্রিক্যালি যেমন গন্ধমকে স্বরূপে আবিষ্কার করতে পারি না, নানা পরিপ্রেক্ষিত থেকে দেখতে হয়; ‘রইদ’-এ মেজবাউর রহমা সুমনও গন্ধমকে সেভাবেই নিয়ে আসেন। সাদু গন্ধম খাওয়ার কথা স্বীকার করে। কিন্তু গন্ধম কি? তার বউয়ের সঙ্গে করা অন্যায়? ছাগল কুলসুম? বউ নিজেই? কোনো উত্তর বাড়িয়ে দেন না সুমন। শুধু সিনেমার শেষ দৃশ্যে আরো একবার মনে করিয়ে দেন, গন্ধম ফল খাওয়ার শাস্তি আমাদের গন্ধম ফল ছাড়িয়ে যেতে দেয় না। একরাশ স্বস্তি আর অসংখ্য কৌতুহল রেখে ‘রইদ’ ইতি টানে। হয়ে ওঠে নিখুঁত এক শিল্প।


About The Author

সাইদ খান সাগর

সিনেমাকর্মী

Leave a reply